বেইজিং সময় ১৫ জুলাই শেষ হওয়া বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্পেন ২-০-তে ফ্রান্সকে বাদ দিয়ে ১৬ বছর পর আবার ফাইনালে ওঠে। ফ্রান্স বাদ পড়ায় এ বছর চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপ—দুই শিরোপা একসঙ্গে জয়ের সুযোগ এখন কেবল ৩০ বছর বয়সী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজের কাছেই বাকি।
সেমিফাইনালের আগে প্যারিস সাঁ-জেরমাঁর ছয় খেলোয়াড়ের এ বছর দুই শিরোপা একসঙ্গে জয়ের সম্ভাবনা ছিল। ফ্রান্স বাদ পড়ায় লুকাস হার্নান্দেজ, জায়ের-এমেরি, বারকোলা, দোয়ে, দেম্বেলে—এই পাঁচজনের সেই স্বপ্ন শেষ; তাঁদের ক্লাবসঙ্গী স্প্যানিশ মিডফিল্ডার ফাবিয়ান রুইজের আশা এখনও বেঁচে আছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে একই বছরে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও বিশ্বকাপ জিতেছেন মাত্র ১১ জন খেলোয়াড়। ফাবিয়ান রুইজ সেই কিংবদন্তি তালিকায় নাম লেখানোর সুযোগ পেয়েছেন। এ অর্জন শেষ যিনি করেছিলেন, তিনি আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার আলভারেজ।
এই ম্যাচে ফাবিয়ান রুইজ পেদ্রিকে সরিয়ে মাঠে নামেন এবং রদ্রির সঙ্গে মিলে ফ্রান্সের বিলাসবহুল আক্রমণভাগকে কার্যকরভাবে আটকে রাখেন। ম্যাচ-পরবর্তী পরিসংখ্যানে দেখা যায়, তিনি দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাস দেন; প্রতিরক্ষায় চারটি ট্যাকল, একটি ক্লিয়ারেন্স ও দুটি ইন্টারসেপশন করেন; ছয়টি দ্বৈরথে পাঁচবার জিতে নেন—স্পেনের ডিফেন্সের সামনে যেন দুর্লঙ্ঘ্য প্রাচীর।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ফাবিয়ান রুইজ স্পেনের জন্য যেন শুভ সংকেত। জাতীয় দলের হয়ে তিনি ৪৯ ম্যাচ খেলে একবারও হারেননি—৩৪ জয়, ১৫ ড্র; এই ৪৯ ম্যাচে তাঁর হিসাব ৭ গোল ও ১২ অ্যাসিস্ট।
এতগুলো বিরল রেকর্ডের আলোয় আসন্ন ফাইনালে স্পেনের হয়তো এই «শুভ তারকা»কেই আবার মাঠে নামিয়ে অলৌকিক কিছু ঘটানোর কথা ভাবা উচিত।



